বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার ১৬টি আইডিয়া ২০২৪

আপনি কি জানতে চান বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি  ? তাহলে এ আর্টিকেলটা আপনার জন্য।

প্রতিটা মানুষই বলে আমি ব্যবসা করতে চাই । কেননা ব্যবসার মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা ও নানান সুবিধা ।

কিন্তু তারা ঠিক করতে পারে না কোন ব্যবসাটা করবে , কোন ব্যবসাটা তার জন্য পারফেক্ট হবে , কোন ব্যবসা লাভজনক হবে ?

এবং কোন ব্যবসা করলে খুব সহজে সে সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছতে পারবে ? ভালো ভালো ব্যবসার আইডিয়া খুঁজতে থাকে ।

এরকম ব্যবসা খুঁজে বের করা অনেক কঠিন। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। এই আর্টিকেলে আপনি আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

তাই আজ আমি বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া দিব। পাশাপাশি বলব কোন ধরনের ব্যবসায় লাভ বেশি ?

ফলে আপনি সঠিক একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন যে, কোন ব্যবসা টা আপনার জন্য পারফেক্ট হবে এবং বুঝতে পারবেন কোন ব্যবসা সবচেয়ে লাভজনক।

এজন্য অবশ্যই আপনাকে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

Table of Contents

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা ২০২৪

লাভজনক ব্যবসার ধারণা দেওয়ার পূর্বে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। সেটা হলো ব্যবসার ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করা।

অর্থাৎ প্রতিটি ব্যবসার জন্য কৌশল রয়েছে।কৌশল ছাড়া কোন কিছুতেই সফলতা লাভ করা সম্ভব না। আপনাদের কথা ভেবে  এখানে কয়েকটি কৌশল দেয়া হলো :

  •  সৎ ভাবে ব্যবসা করতে হবে। যদি সৎ ভাবে ব্যবসা করেন তাহলে আপনি লাইফ টাইম ব্যবসা করতে পারবেন।
  • মানুষকে ধোকা দেওয়া যাবে না। কেননা ধোকা মানুষের বিশ্বাসকে নষ্ট করে দেয় । আর যেখানে বিশ্বাস নেই সেখানে সফল হওয়া যায় না ।
  •  মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে।  তাহলে সে আপনার কাছে বার বার আসবে। এ সমস্ত বিষয় গুলো ফলো করলে তাহলে আপনি লাইফ টাইম ব্যবসা করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে এই সমস্ত কৌশলগুলো অবলম্বন করতে হবে। কেননা বর্তমান সময় হলো প্রতিযোগিতার যুগ।

পাশাপাশি দেখতে হবে কোন ব্যবসায় সফলতা বেশি । তারপর এ অনুযায়ি ব্যবসা শুরু করে দিবেন ।

প্রত্যেক ব্যবসায়ী নিজের বেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করে। অতএব আপনাকেও আপনার প্রতিযোগী থেকে বেস্ট দিতে হয়। তাহলে আপনি সফলতা লাভ করতে পারবেন।

 

16 most profitable business in bangladesh

এখানে ঐ সমস্ত সেরা ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করব  যেগুলো বর্তমান সময়ে সবচেয়ে লাভজনক।

এই ব্যবসাগুলো করে আপনি খুব সহজেই সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছতে পারবেন। এখানে আমি ১৬ টি ব্যবসা সম্পর্কে আলোচনা করব। তাই অবশ্যই মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়বেন। চলুন আলোচনা শুরু করা যাক।

 

১. বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হলো খাবারের হোম ডেলিভারি ।

world best business opportunity
 

বর্তমানে মানুষ বাইরের খাবার পছন্দ করে। আবার অনেক সময় নানান রকম ব্যস্ততার কারণে রান্না করা হয় না। অনেকে আবার হোটেলের খাবার পছন্দ করে না।

ঘরোয়া পরিবেশের রান্না পছন্দ করে। অতএব আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন।

তাই নিজের বাড়িতে রান্না করে তা ডেলিভারি দিতে পারেন। যদি খাবার সুস্বাদু হয় তাহলে আপনার খাবারের ডেলিভারির চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকবে।

অর্থাৎ এই ব্যবসা অনেক লাভজনক যদি আপনার খাবার সুস্বাদু হয়। আর এই ব্যবসা অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে খাবারের মান উন্নত করতে হবে।

পাশাপাশি সুস্বাধু করতে হবে এবং গ্রাহকদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। কেননা এটা গ্রাহকদের মন কাড়ে এবং দ্বিতীয়বার আপনার খাবারকে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ বোধ করবে।

এ ব্যবসা করার নিয়ম :
 
এ ব্যবসা শুরু করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কয়েকটি নিয়ম ফলো করতে হবে। তাহলে অল্প সময়ে আপনি সফলতার উচ্চশিক্ষার করতে পারবেন।
  •  সর্বপ্রথম খাবারের আইটেম সিলেক্ট করুন। খাবারের আইটেম সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই আপনাকে গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ গ্রাহকরা কোন ধরনের খাবার বেশি পছন্দ করে এবং তাদের প্রিয় খাবার কি ইত্যাদি এসব কথা ভেবে সিলেক্ট করতে হবে।
  • গ্রাহকদেরকে  টার্গেট করতে হবে। অর্থাৎ আপনি যাদের জন্য খাবার তৈরি করছেন অবশ্যই তাদের কথা পরিপূর্ণ চিন্তা করে খাবার তৈরি করতে হবে।
  • কম দামে মানসম্মত খাদ্য তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ বর্তমান সময়ে অধিকাংশ গ্রাহকরা কম দামে মানসম্মত খাদ্য খুঁজে থাকে। তাই আপনাকে এ বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
  • খাবারের স্বাদের দিকে পরিপূর্ণ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাৎ আপনি যে খাবারটি তৈরি করছেন সে খাবারটি অবশ্যই যেন স্বাদ যুক্ত হয়। এতে গ্রাহকরা আপনার খাদ্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে। এভাবেই আপনি খুব দ্রুত সফলতা লাভ করতে পারবেন।
  • মার্কেটিং করতে হবে। অবশ্যই আপনাকে আপনার খাদ্যের জন্য পরিপূর্ণভাবে মার্কেটিং করতে হবে। মার্কেটিং আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে করতে পারেন। যেমন : ফেসবুক, টুইটার, instagram, youtube ইত্যাদির মাধ্যমে। এসব জায়গায় আপনি ফ্রিতে মার্কেটিং করতে পারবেন আবার টাকা খরচ করেও করতে পারবেন। তবে টাকা খরচ করে মার্কেটিং করলে খুব দ্রুত সফলতা লাভ করা যায়।
  • ডেলিভারির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে ।  অবশ্যই আপনাকে ডেলিভারি ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। যাতে করে গ্রাহকরা ডেলিভারির ক্ষেত্রে কোন ধরনের হয়রানির সম্মুখীন না হয়। অন্যথায় সফলতার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ডেলিভারি আপনি ইচ্ছা করলে নিজের লোকের মাধ্যমে দিতে পারেন। অথবা বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে ডেলিভারি দিতে পারেন।
  • আপনি চাইলে বড় বড় কোম্পানি কাছে আপনার খাদ্য বিক্রি করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি যদি নিজে মার্কেটিং না করে কোন কোম্পানির কাছে আপনার খাবার বিক্রি করতে চান তাহলে আপনি খুব সহজেই এ পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমান সময়ে এরকম অনেক কোম্পানি রয়েছে। যারা আপনার কাছ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে অন্যের কাছে বিক্রি করবে। এদের মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম কোম্পানি হলো ফুড পান্ডা

আশা করি এটা best business ideas এর মধ্য থেকে একটি আইডিয়া । অতএব এই ব্যবসাটি আপনি করতে পারেন ।

২. বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হলো কাপড়ের ব্যবসা করা ।

লাভ জনক ব্যবসা

কাপড়ের ব্যবসা হল প্রফেশনাল ব্যবসা। যে কেউ করতে পারে। এই ব্যবসা ঠিকমত করতে  পারলে ১০০% আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
 
এই ব্যবসা শুরু করার জন্য মোটামুটি 8 থেকে 10 লাখ টাকার পুঁজি হাতে রাখা ভালো। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায় এবং দ্রুত সফল হওয়া যায় শাড়ি বা পোশাক এর ব্যবসা করে । 
 
এই ব্যবসার আইডিয়া বাংলাদেশের জন্য খুবই উপযোগী । কেননা এগুলোর চাহিদা বেশি বাংলাদেশে। পাশাপাশি থান কাপড়ের ব্যবসা করতে পারেন। এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
 

বর্তমানে তাঁতের কাপড় ভালো চলে। লাভবান ব্যবসা একটি ব্যবসা । কেননা এগুলো মানের দিক দিয়ে ভাল হয়ে থাকে।

আর পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ঐ সমস্ত মার্কেট থেকে কিনবেন যে সমস্ত মার্কেটে কম দামে কাপড় পাওয়া যায়।

পুরাতন ঢাকার মধ্যে বিখ্যাত বিখ্যাত কাপড়ের দোকান রয়েছে। পুরান ঢাকায় মোটামুটি ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার কাপড়ের দোকান রয়েছে। 

এখানে পাইকারি খুচরা কাপড় বিক্রি করা হয়।  এখানে আপনি যে সমস্ত কাপড় পাবেন সেগুলো হলো : 

শার্ট – বোরকার কাপড় , লুঙ্গি , বিছানার চাদর , প্যান্ট , থান কাপড় , পাঞ্জাবি – পায়জামা , শাড়ি , সালোয়ার কামিজ ,  পর্দার কাপড় , ছাপার কাপড় ইত্যাদি এরকম নানান জাতীয় কাপড় পাবেন।
 আরো অনেক জায়গায় পাবেন । যেমন :  গাউছিয়া, গুলিস্থান ইত্যাদি এরকম নানা জায়গা থেকে পাইকারি দামে কাপড় ক্রয় করতে পারেন।
 
আপনার এলাকায় বিক্রি করবেন। ইচ্ছে করলে আপনি পাইকারি ও কাপড় বিক্রি করতে পারেন। এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আশাকরি আপনার প্রশ্ন  এর উত্তর পেয়ে গেছেন ।

৩. অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা করা ।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা

বর্তমানের সবাই ঘরে বসে অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। অনলাইন ব্যবসা করার জন্য কোন দোকান প্রয়োজন হয় না।
 
আপনি যেকোনো স্থান থেকে এই ব্যবসা করতে পারবেন। এই হিসেবে অনলাইনে ব্যবসা করার সুবিধা অনেক বেশি।
 
কিছু নিয়ম বলা হলো :
  • এজন্য আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ইচ্ছা করলে আপনি ফেসবুক বিজনেস পেজ এর মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারেন।
  • মার্কেট নিয়ে গবেষণা করতে হবে ।
  • কোন পণ্যের চাহিদা বেশি ওই সমস্ত পণ্য নির্ণয় করতে হবে।
  • প্রতিযোগিদের নিয়ে গবেষণা করতে হবে ।
  •  সর্বাধিক চাহিদা পণ্য নির্ণয় করার পর ওই সমস্ত পণ্য নিয়ে মার্কেটিং করতে হবে।
  •  ভালো ডেলিভারি সিস্টেম রাখতে হবে।
এই কয়েকটি কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সততার সাথে ব্যবসা করতে হবে। তাহলে আপনি এই ব্যবসায় দ্রুত সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
 
একটি ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে অবশ্যই সততা অবলম্বন করতে হবে। ভালো পণ্য ডেলিভারি দিতে হবে। তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
 

৪. লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া ২০২৪ হলো অনলাইনে কোর্স বিক্রি করা ।

অধিকাংশ লোকদের বর্তমানে  অনলাইনে লেখা পড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকে অনলাইনে বিভিন্ন রকম কোর্স বিক্রি করছে।
 
অর্থাৎ অনলাইন আর্নিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে  ভিডিও বানিয়ে কোর্স বিক্রি করছেন। প্রচুর গ্রাহক এরকম কোর্স সাদরে গ্রহণ করছেন। যাদের সংখ্যা আনুমানিক প্রায় 9 মিলিয়ন।
 
অতএব আপনি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন।
 
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী ওই বিষয়ে কোর্স বানাবেন। তাহলে আপনি খুব দ্রুত সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
 
অন্যথায় লোকজন আপনার কোর্স পছন্দ করবে না। ফলে আপনি সফলতার মুখ দেখতে পারবেন না।
 
তাই অবশ্যই আপনার অভিজ্ঞতা যে বিষয় রয়েছে ওই বিষয়ে কোর্স বানাবেন। তাহলে সফলতা আপনার পিছন পিছন আসবে।
 

অনলাইনে কোর্স বিক্রি করার নিয়ম হলো :

  • সর্বপ্রথম কোর্সের বিষয়বস্তু নির্ধারণ করতে হবে। আপনি যে বিষয়ে অভিজ্ঞ ওই বিষয়ে নির্ধারণ করুন।
  • কোর্স বিক্রি করার জন্য প্ল্যাটফর্ম নির্ধারণ করুন। যেমন : Udemy । এটা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম । যারা আপনার কোর্সগুলোকে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে সাহায্য করে। এরকম অহর অহর প্লাটফর্ম রয়েছে। যেকোনো একটি নির্বাচন করুন।
  • আবার আপনি যদি চান তাহলে কোন প্লাটফর্মে বিক্রি না করে নিজেই বিক্রি করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে। বিশেষ করে ফেসবুকের মাধ্যমে মার্কেটিং করে খুব সহজেই কোর্স বিক্রি করতে পারবেন।
  • আকর্ষণীয় ভাবে কোর্স তৈরি করুন। যাতে করে খুব সহজেই শ্রোতারা গ্রহণ করতে পারে।

আশা করি আপনি ভালভাবে বুঝতে পেরেছেন। এই পদ্ধতি গুলো গ্রহণ করে খুব সহজেই কোর্স বিক্রি করতে পারবেন।

৫. বিজনেস আইডিয়া ২০২৪ হলো  ব্যবহৃত মোবাইলের ব্যবসা ।

এ ব্যবসায় অনেক চাহিদা রয়েছে এবং এটা অনেক লাভজনক। এ ব্যবসায় আপনি অল্প টাকা খরচ করে অধিক পরিমাণ লাভ অর্জন করতে পারবেন।

এ ব্যবসা করার সিস্টেম হল : 

  • আপনার আশপাশের লোকেরা  বিভিন্ন কারণে তাদের শখের মোবাইলকে বিক্রি করে দেয়। তখন আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাবেন।
  • তাদের মোবাইল ক্রয় করবেন । ক্রয় করার পর তা bikroy.com এর মধ্যে অ্যাড দিতে পারেন । সেখানে মোবাইল বিক্রি করার জন্য প্রচুর গ্রাহক পেয়ে যাবেন।
  • অথবা কোন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়ে ভালো পরিমাণ টাকা মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।
  • এ ব্যবসার জন্য ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার মত পুজি লাগবে ।
  • মাসে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা লাভ হবে ( আনুমানিক ) ।

সুতরাং এইভাবে আপনি পুরাতন মোবাইলের ব্যবসা করতে পারেন। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন ।

৬.  নতুন মোবাইল ফোন বিক্রির ব্যবসা করতে পারেন ।

বর্তমানে মোবাইল ফোন এর চাহিদা অনেক বেশি। কেননা অধিকাংশ লোকই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। অতএব আপনি একটি মোবাইল ফোনের দোকান দিতে পারেন।
 
সেখানে আপনি নিত্য নতুন ফোন গুলো বিক্রি করতে পারেন। ইচ্ছা করলে আপনি অনলাইনে মোবাইল ফোন বিক্রি করতে পারেন। এই ব্যবসায় অনেক লাভ রয়েছে।
 

নতুন মোবাইলের ব্যবসা করার নিয়ম

  • সর্বপ্রথম আপনাকে একটি দোকান ভাড়া নিতে হবে। দোকান এমন স্থানে দিতে হবে। যেখানে লোক সমগম বেশি। যেমন : বাজার , বাস স্টেশন , শহরতলী , ইত্যাদি এরকম লোক সমকামী স্থান নির্বাচন করতে হবে।
  • দোকানকে ভালোভাবে সাজাতে হবে।
  • দোকানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স অবশ্যই তৈরি করবেন।
  • নতুন নতুন মডেলের মোবাইল সংগ্রহ করবেন।
  • মোবাইলের সাথে সাথে চার্জার হেডফোন ব্যাক কভার ইত্যাদিও সংগ্রহে রাখবেন।
  • এ ব্যবসা করার জন্য দুই থেকে তিন লাখ টাকার পুঁজি লাগবে।
  • মোটামুটি প্রতি মাসে ৫০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনার বিক্রি বেশি হয় তাহলে লাভ এক লক্ষ টাকার মতো হতে পারে।

আশা করি আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। এ পদ্ধতি অনুযায়ী এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

৭. কসমেটিক্স পণ্যের ব্যবসা করতে পারেন ।

most profitable business

প্রত্যেকটা মহিলার কসমেটিক্স এর চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হল কসমেটিক্স পণ্য বিক্রি করা।
 
অতএব  যে সমস্ত পণ্যের প্রতি মহিলাদের চাহিদা বেশি ঐ সমস্ত পণ্য নিয়ে একটি দোকান দিয়ে  করতে পারেন অথবা  বিক্রি করতে পারেন অনলাইনে।
 

অনলাইনের প্রতি মানুষ ধিরে ধিরে ঝুকছে। অনলাইন থেকে কেনা-কাটা করতে পছন্দ করছে । তাই আপনি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন ।

কসমেটিক্স ব্যবসা শুরু করার পদ্ধতি

  • উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করতে হবে। যেমন : শহর , গ্রামে হলে বাজার ইত্যাদি এরকম পাশাপাশি লোকসমাগম স্থান নির্বাচন করতে হবে।
  • গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সংগ্রহ করতে হবে।
  • অবশ্যই পাইকারি মার্কেট থেকে পণ্য সংগ্রহ করবেন। এতে খুব কম মূল্যে অন্য পাবেন।
  • ভালো মানের পণ্য সংগ্রহ করবেন।
  • গ্রাহকদের সাথে ভালো ব্যবহার করবেন।
  • এ ব্যবসা দুই থেকে তিন লাখ টাকার মত পুঁজি খাটাতে হবে।
  • আর এখান থেকে প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত খুব সহজেই লাভ করতে পারবেন।

এই লাভজনক ব্যবসার ধারণা গ্রহণ করে খুব সহজেই সফলতা লাভ করতে পারবেন। আশা করি আপনি এই ব্যবসায়িক আইডিয়া ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

৮. আচারের ব্যবসা করতে পারেন ।

আচারের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কেননা এটা অধিকাংশ লোকই পছন্দ করে। আপনি ভালো মানের আচার তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন।

আপনি বিভিন্ন মৌসুম অনুযায়ী আচার তৈরি করতে তা বিক্রি করতে পারেন। এটা অনেক সহজ।

অর্থাৎ আমের মৌসুমে আমের আচার, বরইয়ের সিজনে বরইয়ের আচার ইত্যাদি এরকম আচার তৈরি করতে পারেন।

আচারের ব্যবসা করার নিয়ম

  • উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করতে হবে। যেমন : শহর , গ্রামে হলে বাজার ইত্যাদি এরকম পাশাপাশি লোকসমাগম স্থান নির্বাচন করতে হবে।
  • মজাদার করে আচার তৈরী করতে হবে । যাতে গ্রাহকরা পছন্দ করে।
  • মৌসুমি আচারের বেশী চাহিদা । তাই মৌসুমী আচার তৈরী করার চেষ্টা করবে।
  • এই ব্যবসায় অল্প পুজিতে অনেক লাভ করতে পারবেন। আশা করি আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

    ৯. সিজনাল ফসলের ব্যবসা।

    সিজনাল ফসল বলতে আমরা বুঝি ( আলু, পেঁয়াজ, ধান , সরিষা ইত্যাদি )।
    আপনি যদি পেঁয়াজের সিজনে এক লক্ষ টাকার পেঁয়াজ কিনে রাখেন তাহলে তা অফ সিজনে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।
     
    ধরুন : পিয়াজের সিজনে পেঁয়াজের মণ ১২০০ টাকা। এক লক্ষ টাকা দিয়ে প্রায় ৮৩ মন পেঁয়াজ কিনলেন। এরপর আপনি তিন থেকে চার মাস ঐ গুলো রেখে দিবেন।
     
    এই তিন মাসে মোটামুটি ১০ মণের মত শুকিয়ে যেতে পারে। মোটামুটি আপনার কাছে ৭০ থেকে ৭২ মন পেয়াজ থাকবে।
     
    এই পেঁয়াজগুলো অফ সিজনে ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা মন বিক্রি করতে পারবেন। এই হিসেবে তিন মাস পুঁজি খাটিয়ে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাভ হবে।
     
    এখানে আমি পেঁয়াজের উদাহরণ দিলাম। অন্যান্য যে সমস্ত সিজন ওয়ারী ফসল রয়েছে ওইসব ক্ষেত্রে একই সিস্টেম। এই ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনাকে শ্রম দিতে হবে এবং মেধা খাটাতে দিতে হবে। এই ব্যবসার আইডিয়া বাংলাদেশের জন্য খুবই উপযোগী ।
     
    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল : এই সমস্ত ফসল গুদামজাত করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অভিজ্ঞ হতে হবে অথবা অভিজ্ঞ কোন লোকের পরামর্শ নিতে হবে।
     
    অন্যথায় ফসলগুলো পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তাই অবশ্যই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আশা করি বিষয়গুলো আপনি বুঝতে পেরেছেন।
     

    ১০. মোবাইল ঠিক করার ব্যবসা

    বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হলো মোবাইল ঠিক করার ব্যবসা। কেননা মোবাইল সকলের হাতে আছে। কিছু না কিছু সমস্যা দেখা দেয়।

    ফলে মোবাইল ঠিক করতে হয়। এই সে হিসেবে এই কাজে অনেক চাহিদা রয়েছে। যদি আপনি মোবাইল ঠিক করতে না পারেন।

    তাহলে একটি ট্রেনিং দিয়ে শিখে নেবেন । মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে পরিপূর্ণ শিখতে পারবেন । তারপর এ ব্যবসায় নেমে পড়তে পারেন।

    ১১. টি-শার্ট প্রিন্ট করার ব্যবসা

    অধিকাংশ মানুষই টিশার্ট ব্যবহার করে। বিশেষ করে ডিজাইন বিশিষ্ট টিশার্ট পছন্দ করে।

    তাই আপনি খালি টি শার্ট কিনে সেখানে বিভিন্ন ডিজাইনের নতুন আঙ্গিকে পিন্ট করে তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে পারবেন।

    যদি আপনি এই ব্যবসাটি ভালোভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করবেনই। কেউ আপনাকে ঠেকাতে  পারবে না‌।

    ১২. কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ঠিক করার ব্যবসা

    এ ব্যবসায় অনেক লাভ রয়েছে মোবাইল ঠিক করার ব্যবসার মত। কেননা বর্তমানে অধিকাংশ লোকের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রয়েছে।

    বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়ে থাকে তার ঠিক করার অবশ্যই প্রয়োজন পড়ে। তাই এ ব্যবসায় অনেক চাহিদা রয়েছে। আপনি কম্পিউটার ঠিক করার বিজনেস শুরু করতে পারেন।

    যদি কাজ না পারেন তাহলে অবশ্যই তিন থেকে চার মাস ভালো করে ট্রেনিং দিয়ে কাজ শিখে নেবেন। তারপরে ব্যবসা শুরু করবেন। তাহলে সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবে।

    ১৩. বিকাশ এজেন্ট এবং মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা

    এই ব্যবসাটি খুব সহজেই শুরু করতে পারেন। এ ব্যবসায় অনেক লাভ বেশি। পাশাপাশি এই ব্যবসা করতে গেলে পুঁজি বেশি লাগে না।

    বাংলাদেশে এমন এমন ব্যক্তি রয়েছে যারা বিকাশ এজেন্ট এবং মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা করে স্বাচ্ছন্দে জীবন যাপন করছে যারা একসময় খুবই অভাব এর মধ্যে ছিল।

    অতএব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে এই ব্যবসাটি বেছে নিতে পারেন ।

    যদি আপনি মনোযোগ সহকারে করতে পারেন এবং ভালভাবে অর্থাৎ পরিপূর্ণভাবে সময় দিতে পারেন। তাহলে খুব অল্প সময়ে সফলতা লাভ করতে পারবেন।

    ১৪. ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে ফার্মেসির বিজনেস করতে পারেন ।

    এই ব্যবসাটি অনেক দারুন এবং লাভজনক। প্রতিটা মানুষই কোন না কোন সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    অসুস্থ হলে ওষুধ অবশ্যই প্রয়োজন পড়ে। অতএব এর চাহিদা প্রচুর রয়েছে। তাই আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন খুব সহজে।

    যদি আপনি ঠিকমতো পরিশ্রম করেন এবং পরিপূর্ণ সময় দেন তাহলে খুব অল্প দিনেই আপনার ব্যবসায় সফলতা আসবে।

    আর ফার্মেসিতে যদি আপনি একজন ভাল ডাক্তার বসান সাপ্তাহে একদিন অথবা দুই দিন । তাহলে আপনার ওষুধ বিক্রি দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।

    ১৫. নতুন ব্যবসার আইডিয়া ২০২৪ হিসেবে চাউলের ব্যবসা করতে পারেন ।

    এটা অনেক লাভজনক ব্যবসা এবং চাহিদা পূর্ণ একটি পণ্য। কেননা আমাদের দেশে প্রত্যেকটা মানুষই ভাত পছন্দ করে।

    আর ভাত তৈরি করার জন্য অবশ্যই চাউল এর প্রয়োজন হয়।  এ ব্যবসা আপনি মোটামুটি 8 থেকে 10 লাখ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। চাউল যেহেতু বিভিন্ন আইটেমের হয়।

    তাই এই ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে চাউল এর ব্যাপারে এবং তার মার্কেট সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা নিতে হবে।

    এবং চাউল কোন জায়গা থেকে ক্রয় করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ আপনি চাইলে চাউলের মিল থেকে ক্রয় করতে পারেন অথবা ব্যক্তিমালিকানার চাউল থেকে ক্রয় করতে পারেন।

    আর চাউলের ব্যবসা আপনি দুই ভাবে করতে পারেন।

    • পাইকারিভাবে চাউলের ব্যবসা করবেন
    • খুচরা ভাবেও করতে পারেন। উভয় দিক দিয়েই লাভ রয়েছে।

     ১৬. ব্যাবসা আইডিয়া হিসেবে টাইলস এর বিজনেস করতে পারেন ।

     এই ব্যবসাটি বর্তমানে অনেক লাভজনক। এই ব্যবসার অনেক চাহিদা রয়েছে। কেননা যেখানেই বিল্ডিং , ঘর তৈরি করা হয় সেখানেই টাইলস ব্যবহার করা হয়।

    বুঝা গেল এই ব্যবসায় অনেক চাহিদা রয়েছে। টাইলস এর ব্যবসা করে হাজার হাজার লোক সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছে গিয়েছে।

    আর এই ব্যবসাটি করতে বেশি পুঁজি ও লাগে না। অতএব লাভজনক  হিসেবে আপনি টাইলস এর ব্যবসা করতে পারেন।

    বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার সংক্ষিপ্ত তালিকা

    ব্যবসার নামব্যবসার জন্য পুঁজি (আনুমানিক)ব্যবসার জন্য লাভ (আনুমানিক)
    ১. খাবারের হোম ডেলিভারিপ্রাথমিক অবস্থায় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা ।৫ হাজার থেকে ১০ হাজার । পুজি যত বেশি হবে লাভ তত বেশি হবে ।
    ২. কাপড়ের ব্যবসা8 থেকে 10 লাখ টাকার পুঁজি হাতে রাখা ভালো। তবে ১ লাখ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন ।পুঁজির উপর ভিত্তি করবে । 8 থেকে 10 লাখ টাকার পুঁজিতে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাভ হবে ( আনুমানিক ) । তবে এর থেকে বেশিও হতে পারে । আবার কমও হতে পারে ।
    ৩. অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা৫০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন ।২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার । পুঁজির উপর ভিত্তি করবে । পুজি যত বেশি হবে লাভ তত বেশি হবে ।
    ৪. অনলাইনে কোর্স বিক্রি করাকোন পুঁজি লাগবে না ।মাসে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা লাভ হবে ( আনুমানিক ) ।
    ৫. ব্যবহৃত মোবাইলের ব্যবসা৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার মত পুজি লাগবে ।মাসে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা লাভ হবে ( আনুমানিক ) ।
    ৬. নতুন মোবাইল ফোন বিক্রির ব্যবসাদুই থেকে তিন লাখ টাকার পুঁজি লাগবে।প্রতি মাসে ৫০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনার বিক্রি বেশি হয় তাহলে লাভ এক লক্ষ টাকার মতো হতে পারে।
    ৭. কসমেটিক্স পণ্যের ব্যবসা করতে পারেন ।এ ব্যবসায় দুই থেকে তিন লাখ টাকার মত পুঁজি খাটাতে হবে।প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত খুব সহজেই লাভ করতে পারবেন।
    ৮. আচারের ব্যবসা করতে পারেন । এ ব্যবসা ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মত পুঁজি খাটাতে হবে।প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত খুব সহজেই লাভ করতে পারবেন।
    ৯. সিজনাল ফসলের ব্যবসাএ ব্যবসায় ১ লাখ টাকার মত পুঁজি খাটাতে হবে। ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাভ হবে।
    ১০. মোবাইল ঠিক করার ব্যবসাকোন পুঁজি লাগবে না ।২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
    ১১. টি-শার্ট প্রিন্ট করার ব্যবসা২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পুজি লাগবে ।প্রতিমাসে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম হবে ।

    পরিশেষে বলব : উপরে বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা ২০২৪ সম্পর্কে প্রায় ১৬টি ব্যাবসা আইডিয়া দেওয়া হয়েছে। 

    আরো পড়ুন : সুন্দর সুন্দর বিজনেস পেজের নামের তালিকা ২০২৪

    আশা করি অবশ্যই আপনাদের উপকার হয়েছে এবং বুঝতে পেরেছেন কোন ব্যবসা লাভজনক ও কোন ব্যবসায় লাভ বেশি ও বাংলাদেশের লাভজনক ব্যবসা কোনটি ।  কোন সমস্যা হলে জানাবেন। অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

    FAQ

    বাংলাদেশে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি ?

    বাংলাদেশে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে অনেক ব্যবসা রয়েছে যেগুলো অনেক লাভজনক। তবে বাংলাদেশে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা করার আইডিয়া হল : কাপড়ের ব্যবসা।

    আর দ্বিতীয় পুরাতন মোবাইল ফোনের ব্যবসা আর তৃতীয় বিকাশ এজেন্ট ও মোবাইল রিচার্জ ব্যবসা । আর চতুর্থ হলো ফার্মেসির ব্যবসা। আর পঞ্চম হলো অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা। আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশে কোন ব্যবসা লাভজনক ।

    কি ব্যবসা করলে ভালো হয় ?

    ১. কাপড়ের ব্যবসা করতে পারেন । কেননা এটা প্রফেশনাল ব্যবসা ।
    ২. ই-কমার্সের ব্যবসা করতে পারেন । বর্তমানে সবাই ঘরে বসে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। তাই এ ব্যবসায় চাহিদা বেশী ।

    ৩. ব্যবহৃত মোবাইলের ব্যবসা । এ ব্যবসা অনেক লাভজনক। অল্প টাকা খরচ করে অধিক পরিমাণ লাভ অর্জন করতে পারবেন। আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন কিসের ব্যবসায় লাভ বেশি ?

    কোন ব্যবসায় লাভ বেশি ?

    বর্তমান সময়ে লাভজনক ব্যবসার সংখ্যা অনেক বেশী । যেমন :
    ১. অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা ।
    ২.খাবারের হোম ডেলিভারি ।
    ৩. অনলাইনে কোর্স বিক্রি ।
    ৪. কসমেটিক্স পণ্যের ব্যবসা ।
    তবে বর্তমানে লাভজনক ব্যবসা হলো অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা ।
    আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন বর্তমানে লাভজনক ব্যবসা কোনটি।

    বর্তমানে সবচেয়ে বেশি লাভজনক ব্যবসা কোনটি ?

    অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসা । বর্তমানের সবাই ঘরে বসে অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। অতএব আপনি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন । 

    অনলাইন ব্যবসা করার জন্য কোন দোকান প্রয়োজন হয় না। আপনি যেকোনো স্থান থেকে এই ব্যবসা করতে পারবেন। এই হিসেবে অনলাইনে ব্যবসা করার সুবিধা অনেক বেশি।

    আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন বর্তমানে কোন ব্যবসা বেশি লাভজনক ও কি ধরনের ব্যবসা লাভজনক ?

    কি ধরনের ব্যবসা করা যায় ?

    বর্তমানে অনেক ধরনের লাভ জনক ব্যবসা করা যায় । যেমন :
    ১. খাবারের হোম ডেলিভারি ।
    ২. ফার্মেসির ব্যবসা।
    ৩. কসমেটিক্স পণ্যের ব্যবসা ।
    ৪. ব্যবহৃত মোবাইলের ব্যবসা ।
    ৫. চাউলের ব্যবসা
    আশা করি আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন লাভজনক ব্যবসা কি কি ও কোন ব্যবসা করলে ভালো হবে ?

    পৃথিবীর সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি ?

    পৃথিবীর সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হল অনলাইনে ব্যবসা করা। আপনি অনলাইনে ঘরে বসে যে কোন ব্যবসা করতে পারবেন।

    পাশাপাশি অনলাইনে আপনার ব্যবসার মার্কেটিং করতে পারবেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। অনলাইনের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবসা হল ই কমার্সের ব্যবসা । আশা করি আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন বর্তমানে কি ব্যবসা করা যায় ।

    কোন ব্যবসায় সফলতা বেশি ?

    বর্তমানে অনলাইনে ব্যবসায় সফলতা বেশি । পাশাপাশি অনলাইনে আপনার ব্যবসার মার্কেটিং করতে পারবেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। আর অনলাইন ব্যবসার মধ্যে জনপ্রিয় ব্যবসা হল ই-কমার্সের ব্যবসা ।

    কোন ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি লাভ ?

    অনলাইনে ই-কমার্সের ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি লাভ । সবাই বর্তমানে ঘরে বসে অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। 

    অতএব আপনি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন । অনলাইন ব্যবসা করার জন্য কোন দোকান প্রয়োজন হয় না। আপনি যেকোনো স্থান থেকে এই ব্যবসা করতে পারবেন।

    এই হিসেবে অনলাইনে ব্যবসা করার সুবিধা অনেক বেশি। আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন বর্তমানে কোন ব্যবসায় লাভ বেশি ।

    আমি সবসময় নতুন জিনিস শিখতে এবং ছড়িয়ে দিতে পছন্দ করি। তাই সকল ধরনের বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কিত নতুন বিষয় তুলে ধরাই আমার মূল লক্ষ্য।

    Leave a Comment